Posts

Showing posts with the label kobita

তাহার কথা

Image
ললাট যেনো তার তেপান্তরের মাঠ এলো কেশ নয় যেনো ঝর্নার বেশ! চঞ্চল আঁখি যে তাহার অতল দীঘি হাসির নাহর মনে করায় রুদ্র সাগর! অদ্বিতীয়া থেকো অমলিন, চিরদিন শেষ রাতে রেখো জাগিয়ে, প্রতিদিন।

প্রিয় কষ্ট

Image
কষ্টদেরও থাকে লুকোনো ব্যাথা না বলা কথা হৃদয়ের অকুতিরা যেখানে স্লান অভিমানের জন্মস্থান । আচ্ছা, মন কষ্ট কেনো পায়? কেনই বা জমায়? শৈশবে ঘুড়ি ভোকাট্টার কথা কৈশোরে বন্ধু খোয়ানোর ব্যাথা যৌবনের প্রথম হারানো প্রেম সবই যে মানসপটের কারুহেম। সময় তো নিয়মে গেছে বয়ে স্মৃতিরা কেনো রয়ে? প্রিয় কষ্ট নাম দিয়েছি তায় কখনো না বদলায়। ছবি- ইউক্রেনের শিল্পী পাভেল গুজেঙ্কো

এত দুঃখ কোথায় রাখে?

Image
লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে সটকে পরা তারার মতন নি:স্বঙ্গ পরিব্রাজকেরা কোথায় পায় বলো যতন ? যার নেই কোন পরিবার কিংবা বাঁধা সংসার যে পায়নি অন্তরঙ্গ মিষ্টি আদর তার প্রেমিকার ; অথবা যার সবই ছিলো হারায়ে ফেলেছে আজ সময়ে ভাঙ্গনে হলো কতটা ভারী তার দীর্ঘশ্বাস! কারে কয় আপন মানুষ অসময়ে যে গেছে ভুলে দাড় বেয়ে জীবনের তরী নিয়ে যাবে কোন কূলে? সাঁঝের বেলা পাখিরাও তো ঘুরে-ফিরে যায় নীড়ে কত অভাগারা হারায়েছে ঘর ব্যস্ত পৃথিবীর ভীরে। মধ্যবিত্ত সুখে থেকে চমকে উঠে মন তাদের ভেবে শূন্যময় জীবনে সে মানুষ এত দুঃখ কোথায় রাখে? জেনো পথহারা মানুষেরাই বেঁচে থাকার অনুপ্রেরনা বাঁচার লোভে থাকুক চিরকাল অপ্রাপ্তি-অসুখ-তৃষ্ণা। (নেলসন মেন্ডেলা ও জীবন দর্শনের প্রতি উৎসর্গ) ০৪/০৩/১৮ খ্রীঃ নোমান প্রধান 

আজও ২৫শে মার্চ রাত

Image
২৫শে মার্চ রাত এখন ঘড়িতে তিনটে আট- এমন সময় চলছিলো অপারেশন সার্চ লাইট ! তীব্র গুলি বর্ষণ আর বাঙালী হাহকারে কেঁপে উঠছিলো ঢাকা আর রক্তাক্ত হচ্ছিল রাজপথ ! ছেলে হারাচ্ছিলো পিতা,বোন তার ভাই! মা তার সন্তান আর জাতি তার ভবিষ্যৎ। আজ সাতচল্লিশ বছর পর , হ্যা! স্বাধীনতার সাত চল্লিশটা বছর পর কসম আমার খোদার ! আমি হাড়ে হাড়ে টের পাই অপূরণীয় সেই ক্ষতি। চারিদিকে তায় তো আজ এত নির্বিকার রাহাজানি। তোমরা জানো না শহীদেরা, মুজিবও মরেছে না-পাক হানাদারের হাতে না, স্বাধীন স্বদেশে ! সবার চক্ষে ঠুলি, কষ্ট দেই আজ বলি- সাত কোটি প্রাণ আজ আঠারো কোটি ছুঁই ছুঁই অথচ একটা মানুষের মেরুদণ্ড অবশিষ্ঠ নাই। দেশ প্রেম ? হাহাহা! মাফ করো অনিচ্ছায় হাসলাম এই শব্দ যুগল দু'চোখে কেবল বইয়ে পুস্তকে দেখলাম। এই কাল রাতে সবাই ঘুমালে কেবল আমি জাগবো ক্ষমা চেয়ে তোমাদের কাছে দু'কলম চিঠি লিখবো। ইতি, শহীদদের অযোগ্য এক উত্তরাধিকারী। নোমান প্রধান

বিশ্ব অধিবেশনে সিরিয়া!

Image
খোদা কোন সূর্যদয়ের পর শুনতে পাবো মধ্যপ্রাচ্যে ঘুম গিয়েছে সব খুনে আগ্নেয়াস্ত্র শিশুকাননে হানছেনা আঘাত অগ্নির শেল কানে আসবেনা আর্তনাদ হবে স্নিগ্ধ বিকেল কোথাও মুসলিম নামে রোহিঙ্গা অন্যত্র আমি বলি কেবল মরছে মানুষ সর্বত্র। পশ্চিম দেশে তৈয়ার মেশিনের চিৎকার ঢেকে দেয় মূহুর্তেই জান্তবদের হাহাকার। যুদ্ধের পর যুদ্ধ চলে নেই থামার লক্ষন ধরারে করছে যেন কোন রাক্ষসে ভক্ষন সাদা পতাকা তোলার কথা ভুলে সবাই স্বজাতিরে করছে কেবল অহংয়েই জবাই। বলি আসল খবিশ পশ্চিমাদের দুটো কথা জানোনা মন তাদের কেমন রূপের ধারা পয়সার বিনিময়েই দিয়ে অস্ত্র যারে-তার বিশ্ব-অধিবেশনে বলছে নেই মানবাধিকার। ছবি-ইন্টারনেট থেকে...

পুরুষের নারী

Image
নিরেট স্বার্থপর হয় আর.ডি বর্মনের রুবি রায় আর অঞ্জন দত্তের বেলা বোসেরা, কেবল চাহনিতেই নয় তাদের স্পর্শ, আলিঙ্গন কিংবা চুম্বনেও  থাকে তীব্রতর ইশারা। যোগ্যতার দলিল ছাড়া কোন নারীই নয় তোমার একান্ত অথচ পঁয়ত্রিশ লক্ষ বছরে তাদের তরে চেনা পৃথিবীর সব প্রান্ত! পুরুষের বাহুর পুরুত্বের কারণ কেবল পুরুষত্ব ভেবো না কম খাটেনি এদেহ সৃষ্টির কাল থেকে দিতে নারীকে নিরাপত্তা। অথচ একবিংশ শতাব্দীতে নরওয়ে থেকে এ্যলাস্কা পর্যন্ত কোন শর্বরী তা মানতেই চায় না।

কাঙাল

Image
সবাই কাঙাল ;   যদিও শ্বেত কুয়াশা মিশে অন্ধকার নিশীথে ;   তবুও প্রেম তার আদি রূপ প্রতীক্ষাতেই মোড়ানো   । সকল প্রার্থনা; আজো উর্ধগামী হয় প্রিয়মুখের সুখের তরে; তবুও দিন শেষে মুখগুলো থাকে অভিমানে জড়ানো। সবই অনুভূতি; শুদ্ধো হৃদয় আর মস্তিক নিয়মিত যুদ্ধরত; তবুও বেখেয়ালি যৌবন স্বীকৃত ভুল মন্ত্রে তন্দ্রালু । দ্বিধায় আক্রান্ত দ্বীনহীন প্রাচীন আমার মতই ত্রিধায় কাতর তৃষ্ণার্ত ক্লিষ্ট আমার নব্য ছবি।

অজাত

Image
পশ্চিমা কাঁটাচামচের সমান সম্মান পায় না আফ্রিকার জান্তবেরা ; চৈনিক আফিমের চেয়ে সস্তায় জীবন দেয় দক্ষিণ - এশিয় সন্তানেরা । নদী রক্ত দিয়ে রাঙিয়ে তবে তাদের উল্লাস চির দীর্ঘজীবী হোক ; আরবের প্রাসাদ হবে আরো চকচকে যেনো ক্ষুধার্ত শিশুর চোখ   । স্পেনিশের লা - তোমাতিনায় পদপিষ্ট খাদ্যই সভ্যতার লজ্জিত মুখ , পুঁজিবাদের প্রাচুর্য্যে সোমালিয়ার দুঃসংবাদ শুধুই পৈশাচিক সুখ ।

না-মানুষ

Image
আমি প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে এখন হেঁটে বেড়াচ্ছি, স্ব-চোকাঠ মাড়িয়ে খানিক অগ্রসর হয়েছি চতুর্দিকে! ভুল হবেনা যদিবা বলি দশদিকে। চেনা শহর জানা মানুষের সামাজিক সংসার, যেন নড়তে ভুলে গিয়ে করছে সূর্যের আচার না-মানুষ! বৃক্ষের মত মস্তিকহীন বাঁচা শিখে তায় ফাঁকি দিতে বাধ্য হয়ে ত্যাগ করেছি ঘর মেনে নিয়েছি অযাচিত জীবনে বৈশাখী ঝড়; পানিতে ডুবে নিঃশ্বাস টানাই আজ খুব শ্রেয়! এ মানচিত্রে মানুষরূপী সব, নাই জীবন্ত কেহ হাপিঁয়ে উঠেছি বলেই ছুটে চলেছি সজোরে, ভাঙা স্বপ্ন টুকরোর খুঁচা লাগছে খুব পাঁজরে পরাজিত হতে হবে মনে বেধেছি দৃঢ় সংকল্প। এ ভবে যখন শতকোটি মুখ ক্ষুধায় শুকিয়ে, আরেক মানুষ কেমনে রোলস রয়েলসে চড়ে অন্য কোন গ্রহে গিয়ে বলবো আজব এ গল্প। জানতে হবে আর কোন প্রাণী ভরপেটে খায় শত প্রাচুর্য ধন ঐশ্বর্যে থেকেও দু'পয়সা চায়; আছে কি এমন বাঁচা কেবলই মৃত্যর কারণে! দেহমন সব সপেঁ দিবে ছাপা নোটের তাড়নে চাঁদের বুড়ি হাসে মুখ টিপে শুনে মনুষ্য কান্ড শুনে নাই সে হাজার বছরে আছে এমন ভন্ড হায় তবু কভু মোর হৃদ না-মানুষের গান গায়, কেমনে জানিনা ওদের ঔরসে মানুষ জন্মায় কারো চোখ ফুটেই গর্জন, পিতার বিরোধীতা। সভ্য সম...