Posts

আইনের ধর্ষণ

Image
জীবনের দুর্গম পথে প্রেমে সংলাপ? নিতান্ত অপ্রয়োজনীয়, বড়ই অর্বাচীন তারচেয়ে চলো নব বিপ্লবের কথা বলি সুখ না খুজে মুখে মুখে বিলায়ে দি হাসি। দু'বেলা দু'মুঠো অন্নের জন্যে বিলাপ? শুনতে পাবে না যদিও মাঠে ভরে উঠেছে আজ, ফসলের বদলে কারখানায় সয়লাব গেরস্ত ছেড়ে শিক্ষিত করে চাকরিতে লাভ। কি শুনতে চায় তোমার জোড়া কান? জানো আজ পত্রিকা খুলে কি পড়লাম? ধর্ষিত হয়েছে কিশোরী মেয়ে মজদুরের আসামী জামিনে মুক্ত, আইন এদেশের।

নারী

Image
আমি স্রষ্টার হাতে লিখা কবিতা, দুঃখ দিবে আমায়? কে তুমি! কতই বা তোমার স্পর্ধা  মহাবিশ্ব তাঁহার তুলিতে আঁকা। তুমি কি সেই? যে করেছে যাপিত জীবনরে বাঁকা? নওতো তুমিই সেই বৃন্দাবনের বৃন্দাবাসীনী? শ্যামের হাতের খুনে সেই বাঁশরী যার তরে রাগে রাগে হতো উন্মাদ! তবে কি রাধা গো তুমি? সখীগনের স্বপন যে করেছিলো বরবাদ।  ওঁ চিনেছি! না না তুমি নওকো অবলা হলে তবে মাতৃত্বের ভার কভু নিতে না। তুমি জন্মের কারণ করো হাজার রূপ ধারন হয়েছো পাপ কিংবা পুণ্যের ফারাক। নারী তুমি; কাঙ্ক্ষিত এক অবোধ্য সামাজিক বারণ।

মানুষ নাকি মানব

Image
বসন্ত বিদায়ের পর, সূর্যের রাগে এক আকাশ গলা দুপুর বেচারা এক দিন মজুর চা-দোকানে ঢুকলো হয়ত তৃষ্ণায় কাতর তায় ছুটে গিয়ে করে কলস থেকে পানি পান দেখেনি বেচারা সেখানেই ঠায় ছিলো এক ...

নির্বোধ

Image
আমি যুদ্ধে মেতেছি চিরকাল কখনো নেশায় কখনো পেশায় আবার কখনোবা সত্যিকারের প্রয়োজন। আটপৌরে জীবনের বৃত্ত বন্ধনী ছিন্ন করতে রাইফেল আর গ্রেনেড মুক্ত যে অহিংস সংগ্রাম করি আয়োজন_ নিজের তাগিদে অসুখ দূরীকরণের নিয়ত যে প্রচেষ্টা! সে কি যুদ্ধের চেয়ে কম? বুকে তপ্ত সীসার ছিদ্র নিয়ে রক্ত নদী বয়িয়ে মানুষে লাশ নিশ্চই নেই আছে কেবল লালিতপালিত গোবেচারা অজস্র স্বপ্নের লাশ, চেনা স্বপ্নের শবদেহ। পরিবারের সামাজিক মেকি মর্যাদাবোধ যৌবন বলি দেয়া যুদ্ধাদের ধরে বেধে দেয় পরাজিতের তকমা! টাইটেল হয় নির্বোধ নোমান প্রধান, ২০শে পৌষ ১৪২৪

বিটপী

Image
পথ হেটে যাওয়া ক্লান্ত পথিক হয়ত বড় একটা নেই সবাই হরেক রকম শকটে চড়ে , নেই আর মানুষের দল বেধে এগুনো কাফেলা সেই হজ্জের পথে যাওয়া যায় উড়ে । গায়ের হাট বসতো প্রাচীন আর বিশাল বটের মূলে সেই বাজার গেছে দালানে সেটে , নগরায়নের স্রোতে মজে কেমন যাচ্ছি সেসব ভুলে আধুনিকতা ধরেছে দারুণ এটে । তায় বলে কি প্রেমিকাদের মত করবি ঋণের অস্বীকার , কি বুঝে হায় চেঙ্গিসের মতো কাটিস বিটপী নির্বিকার !  দমে দমে তোর প্রয়োজনে বৃক্ষ নিজেরে বিলিয়ে দেয় পথিক - কাফেলারে দিত ছায়া , মিটিয়ে ক্ষুধা দিয়ে আবাস - বস্ত্র - ঔষদের না দাম নেয় তবে কেন বিটপী পাবেনা মায়া ।  

অজাত

Image
পশ্চিমা কাঁটাচামচের সমান সম্মান পায় না আফ্রিকার জান্তবেরা ; চৈনিক আফিমের চেয়ে সস্তায় জীবন দেয় দক্ষিণ - এশিয় সন্তানেরা । নদী রক্ত দিয়ে রাঙিয়ে তবে তাদের উল্লাস চির দীর্ঘজীবী হোক ; আরবের প্রাসাদ হবে আরো চকচকে যেনো ক্ষুধার্ত শিশুর চোখ   । স্পেনিশের লা - তোমাতিনায় পদপিষ্ট খাদ্যই সভ্যতার লজ্জিত মুখ , পুঁজিবাদের প্রাচুর্য্যে সোমালিয়ার দুঃসংবাদ শুধুই পৈশাচিক সুখ ।

না-মানুষ

Image
আমি প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে এখন হেঁটে বেড়াচ্ছি, স্ব-চোকাঠ মাড়িয়ে খানিক অগ্রসর হয়েছি চতুর্দিকে! ভুল হবেনা যদিবা বলি দশদিকে। চেনা শহর জানা মানুষের সামাজিক সংসার, যেন নড়তে ভুলে গিয়ে করছে সূর্যের আচার না-মানুষ! বৃক্ষের মত মস্তিকহীন বাঁচা শিখে তায় ফাঁকি দিতে বাধ্য হয়ে ত্যাগ করেছি ঘর মেনে নিয়েছি অযাচিত জীবনে বৈশাখী ঝড়; পানিতে ডুবে নিঃশ্বাস টানাই আজ খুব শ্রেয়! এ মানচিত্রে মানুষরূপী সব, নাই জীবন্ত কেহ হাপিঁয়ে উঠেছি বলেই ছুটে চলেছি সজোরে, ভাঙা স্বপ্ন টুকরোর খুঁচা লাগছে খুব পাঁজরে পরাজিত হতে হবে মনে বেধেছি দৃঢ় সংকল্প। এ ভবে যখন শতকোটি মুখ ক্ষুধায় শুকিয়ে, আরেক মানুষ কেমনে রোলস রয়েলসে চড়ে অন্য কোন গ্রহে গিয়ে বলবো আজব এ গল্প। জানতে হবে আর কোন প্রাণী ভরপেটে খায় শত প্রাচুর্য ধন ঐশ্বর্যে থেকেও দু'পয়সা চায়; আছে কি এমন বাঁচা কেবলই মৃত্যর কারণে! দেহমন সব সপেঁ দিবে ছাপা নোটের তাড়নে চাঁদের বুড়ি হাসে মুখ টিপে শুনে মনুষ্য কান্ড শুনে নাই সে হাজার বছরে আছে এমন ভন্ড হায় তবু কভু মোর হৃদ না-মানুষের গান গায়, কেমনে জানিনা ওদের ঔরসে মানুষ জন্মায় কারো চোখ ফুটেই গর্জন, পিতার বিরোধীতা। সভ্য সম...